Ad
Ad
Ad
Author

Leartex

Browsing

স্বভাবতই মনে প্রশ্ন আসে একজন নাপিত কিভাবে স্পিনিং মেশিনের আবিষ্কারক হয়? স্যার রিচার্ড আর্করাইট

প্রাথমিক জীবন 

১৭৩২ সালে জন্ম নেয়া রিচার্ড জীবনে লেখাপড়ার সুযোগ পান নি;  ১০ বছর বয়সে নাপিত এর কাজ শিখা শুরু করে এবং নাপিত হিসেবেই ১০ বছর কর্মজীবন অব্যাহত রাখে। তার মজুরি ছিল মাত্র ১ পেনি  কিন্তু মৃত্যুর সময় তার সম্পদের পরিমান ছিল ১০ লক্ষ পাউন্ড।

স্পিনিং মেশিনের আবিষ্কারের ধারণা

১৯৬৫ সালের এক ঝড়ো রাতের গল্প দিয়ে শুরু। যুবক আর্করাইট ঝড়ের হাত থেকে বাচার আশ্রয় খুজতেছিলেন; হঠাৎ তিনি দেখেন একটা বাড়িতে মোমের আলো জ্বলছিল আর বাইরে খট খট শব্দ হচ্ছিল। বাড়িটি ছিল এক তাঁতির নাম জেমস্ হারগ্রেভস। সে নিজে অদ্ভুত ধরনের একটি সুতোকাটার কলের সাহায্যে সুতা তৈরি করছিল ;  সে রাতে কাজ করত যাতে তার বানানো মেশিন এর কথা প্রচার না হয়ে যায়। রিচার্ড যখন নিজের নাপিত পরিচয় দিল তখন জেমস্ তাকে আশ্রয় দিল;  এবং তার বানানো মেশিন খুটিয়ে খুটিয়ে দেখালো। সেখান থেকে ফিরে এসে রিচার্ড আর স্থির থাকতে পারলেন না;  তিনি ভাবতে লাগলেন কিভাবে এই যন্ত্রের উন্নতি করা যায়।

স্পিনিং মেশিনের আবিষ্কার

সালটি ছিল ১৯৬৯ রিচার্ড ৪ বছর আগে দেখে আসা সেই তাঁতির যন্ত্রের চেয়ে উন্নত যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাঁতির তৈরি যন্ত্র ছিল স্পিনিং মেশিনের এক অসম্পূর্ণ প্রচেষ্টা মাত্র; যেটি দিয়ে একসাথে ৭ টি সুতা কাটা যেত। এবং সুতোর গুনগত মানও ভাল ছিল না। স্যার রিচার্ড এর আবিষ্কৃত তাতঁ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তুলো ধুনো থেকে শুরু করে সুতো তৈরি করতে পারত;  এর সাহায্যে যত খুশি সুতা কাটা যায়। এছাড়া সুতোর মানও নিয়ন্ত্রণ করা যেত।

স্যার রিচার্ড আর্করাইট
ত্যাগ ও পরিশ্রম

আর্কারাইডের আবিষ্কারটি কিন্তু সহসা হয় নি;  এ জন্য তাকে অক্লান্ত পরিশ্রম ও অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। তার এই আবিষ্কারের নেশার কারণে চুল কাটার ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছিল;  সংসারে অভাব অনটন নিয়ে স্ত্রীর সাথে সবসময় ঝগড়া লেগেই থাকতো। রিচার্ডের মাথা থেকে আবিষ্কারের ভূত তাড়ানোর জন্য তার স্ত্রী স্পিনিং মেশিনটি ভাঙে ফেলেছিলেন;  রিচার্ড এতে মর্মাহত হলেও ভেঙে পড়েন নি। অসীম ধৈর্য নিয়ে পুনরায় তার মেশিনটি বানিয়ে ফেলেন।

রিচার্ড থেকে স্যার রিচার্ড আর্করাইট

তার বানানো যন্ত্রটি খুব শীঘ্রই চতুর্দিকে সাড়া ফেলে দেয়। তাঁতের কুটির শিল্প শিল্পকারখানায় রূপান্তরিত হতে লাগলো;  তিনিই মূলত শিল্পবিপ্লবের নায়ক। তার অবদানের জন্যই শুরু হয় নতুন অর্থনৈতিক যুগের;  তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৭৮৬ সালে বৃটিশ সাম্রাজ্যের তৃতীয় জর্জ তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন;  আর নাপিত রিচার্ড হয়ে গেলেন স্যার রিচার্ড আর্কারাইড।

চোখ ধাধানো কিছু তথ্য

  • শোনা যায় রিচার্ড ৫০ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন।
  • মহান বিজ্ঞানী ও শিল্পপতি হবার পরেও দৈনিক আঠারো থেকে বিশ ঘন্টা পরিশ্রম করতেন।

Source: The 101 Scientist

You may also read

Join our FB Group

Revolutionary Ideas of Textiles. Some revolutionary ideas of Textiles include E-Textiles, Smart Textiles, Nano fabrics. Evolution of Textile.

 

E-Textiles

 

Often, you hear about e-commerce, e-banking, e-mail, e-learning, but have you ever heard about the term “E-Textile”? If you not, then let’s know about e-textile.

The term e-textile stands for “Electronic Textiles”. Electronic textiles are fabrics that enable digital components such as a battery and light and electronics to be inserted in them. Electronic textiles are a recognizable form and wearable computing because the emphasis is placed on the consistent unification of textiles with electronic elements like microcontrollers, sensors, and actuators. Furthermore, e-textiles need not be wearable. For instance, e-textiles are also found in interior design.

A new report from Cientifica Research examines the markets for textile-based wearable technologies, the companies producing them, and the enabling technologies. The report identifies three distinct generations of textile wearable technologies:

These are:

  • First-generation: Attach a sensor to apparel. This approach is currently taken by sportswear brands such as Adidas, Nike, and Under Amour

 

  • Second-generation: Products embed the sensor in the garment, as demonstrated by current products from Samsung, Alphabet, Ralph Lauren, and Flex.

 

  • Third-generation: Wearable, the garment is the sensor. A growing number of companies are creating pressure, strain, and temperature sensors for this purpose.

Future applications for e-textiles may be developed for sports and well-being products, and medical devices for patient monitoring. Technical textiles, fashion, and entertainment will also be significant applications.

 

 

Revolutionary Ideas of Textiles

 

Some examples of E-Textiles

 

Smart Textiles

The term ‘smart textiles’ is derived from intelligent or smart materials. The concept ‘smart material’ was defined for the first time in Japan in 1989. The first textile material that was labeled as a ‘smart textile’ was silk thread having a shape memory. The inventory of shape-memory materials in the 1960s and intelligent polymeric gels in the 1970s were generally accepted as the birth of real smart materials.

Pailes-Friedman of the Pratt Institute states that “what makes smart fabrics revolutionary is that they have the ability to do many things that traditional fabrics cannot, including communicate, transform, conduct energy, and even grow”.

Smart textiles are described into mainly two categories: 

  1. Aesthetic.  
  2. Performance enhancing. 

 

Aesthetic smart textiles:

 

The fabrics that light up and fabrics that can change color are included into aesthetic smart textiles. Some of these fabrics gather energy from the environment by harnessing vibrations, sound, or heat, reacting to these inputs. Electronics that can power the fabric can be also inserted to change the color and lighting scheme of smart textile. 

 

Performance enhancing:

 

The fabrics that are used in those fields in which the enhancing of performance is needed with the collaboration of body, surrounding environment are identified as performance-enhancing smart textiles.  They can be used in athletic, extreme sports, and military applications which are performance-enhancing fields. These textiles are customized for use in these include fabrics designed to regulate body temperature, reduce wind resistance, and control muscle vibration. All of which may improve the above-mentioned field’s performance. 

Other fabrics have been developed for other purposes like protective clothing, guard against extreme environmental hazards (such as radiation and the effects of space travel). The health and beauty industry is also taking advantage of these innovations, which range from drug-releasing medical textiles to fabric with moisturizer, perfume, and anti-aging properties.

 

Revolutionary Ideas of Textiles

 

Some examples of smart-textiles

 

Nano fabrics

Nano fabrics are textiles engineered with small particles. Especially these types of fabrics are given extra-ordinary characteristics with ordinary materials advantageous properties.

These properties are: 

  • Superhydrophobicity . (extreme water resistance)
  • Odor and moisture elimination.
  • Increased elasticity and strength.
  • Bacterial resistance.

A nano fabric is either produced from fibers called nanofibers, or is created by applying a solution containing nanoparticles to a regular fabric.

 

Properties of Nano Fabrics:

 

As it is a productive unique concept of fabric,it has a definite width of less than 1000 nanometers which is often called nanofiber . In this nanofiber there are nanoparticles which can be described as a small group of atoms or molecules with a radius of less than 100 naometers . These particles have a very high surface area to volume ratio on the nanoscale. This high surface area to volume ratio is seen in very small particles what makes it possible to innovate many specific properties existed by nanofabrics. 

 

Nano Fabrics Manufacture Process:

 

Nanofabrics are predominantly manufactured with the process of “sol gel and “electro spinning”.

  • Sol gel: It is a gel like solution which is applied to textiles to create the novel properties of nanofabrics as a liquid finishing ingredient .This process begins by dissolving nanoparticles in a liquid solvent. As the solvent, mainly alcohol is used .After dissolving some chemical reactions happen to grow and form a linkage throughout the liquid .This linkage converts the solution into a colloid. In the next steps, the solid particles must undergo a drying process to remove excess solvent from the mixture so that it can be used as a fabric.


  • Electro spinning: The process in which the nanofibers are extracted from polymer solutions and assembled them to create nanowoven nanofabrics, is known as electro spinning. In the first step, to charge the polymer strands, a strong electric field is applied to the solution. After that, the solution is placed into a syringe and targeted at an oppositely charged collector plate. When the force of attraction between the polymer nanofibers and the collector plate exceed the surface tension of the solution, the nanofibers are released from the solution and gather onto the collector plate.

 

Revolutionary Ideas of Textiles

 

Applications of Nano Fabrics:

 

The application fields of nanofabrics are huge. It is chiefly used in:

Textile Manufacturing:

Nowadays, to produce modern textiles and RMG nanofibers are used largely. It has advantages like odor and moisture elimination , highly water resistancy , bacterial resaistancy and last but not the least , it can increase the physical strength like elasticity of a RMG .This is why. It is used to produce highly qualified hand gloves, shocks and moreover to produce our daily needed garments also. 

 

Drug delivery:

The nanofabrics is used in medicine delivery like antibiotics, anticancer drugs ,proteins and DNA precise quantities.It is also applied to the tissue of target area that carries the desire drug with it. The rate of the drug administered can be also changed by altering the composition of the nanofabnrics.

 

Tissue Engineering:

The nanofabrics which are made by electro spinning, have the potential to help in the growth of organ tissue, none, ligaments, tendons, neurons etc. It also can be used to support the damage tissue.





About the Author

MD. SHANAWAZ KHAN

Pabna Textile Engineering College

Department of Apparel Engineering

 

Join Our Fb Group

 




 

 

 

 

 

 

Dyeing laboratory: Lab is the most important section of the dyeing industry. The higher precision lab can aid easily to achieve the goal of the organization. Before bulk production, a sample for the approval from industry is sent to the buyer. As per the requirement of the buyer, the shade is prepared in a lab considering the economic aspects.

 

Lab Dip: Lab is the most important section of a dying industry. The higher precision lab can aid easily to achieve the goal of the organization. Before bulk production, a sample for the approval from industry is sent to the buyer. As per the requirement of the buyer, the shade is prepared in a lab considering the economic aspects.


The objective of Lab Dip:



The main objectives in lab dip are as follows:

  • To calculate the recipe for sample dyeing.
  • To compare dyed sample with swatch by light Box or Spectrophotometer.
  • To calculate revise recipe for sample dyeing.
  • Finally approved Lab Dip (Grade: A, B, C &D)

 

Color Measurement of Standard Sample: 

 

  1. Manual Method 
  2. Instrumental Method 

 

In the manual method, the std. sample color is measured by comparing it with previously produced samples of different trichromatic color combinations. The sample with which the color of the std. matched, that sample color recipe is being taken for shade matching. The instrumental method is more reliable if it is operated accurately to do the work of color measurement. A spectrophotometer interfaced with a PC is used for shade matching. In this way, color measurement of the standard sample is carried out for the purpose of shade matching.

 

Preparation and Storage of Stock Dyes and Chemicals: 

 

Preparation of Concentration of dye stock solution:

 

Normally 0.01%, 0.1%, 0.5%, 1%, 1.5%, 2%, 3% and 5% stock solution of dyes are    prepared in beakers for daily used. 

 

Preparation of Concentration of chemical stock solution: 

 

Similarly, 25% salt and 25% soda stock solutions are prepared in beakers for daily use. 

 

Dyes and Chemicals Measuring Formula for Laboratory: 

 

Total liquor = sample weight × Liquor Ratio (M: L)

 

 The amount of dye solution (ml) = 

 

 Amount of Chemical solution (ml) =  



  Additional Water = Total Liquor (ml) – Total Chemical Amount (ml)

 

Stock Solution Preparation:

 

Shade %

Stock Solution %

0.0001-0.009

0.01

0.01-0.09

0.1

0.1-0.99

0.5

1-1.99

1

2-3.99

2

4 To More

4≤

 

Salt & Soda % according to Shade%

 

Shade%

Salt(g/l)

Soda(g/l)

0.001-0.3

16

5

0.3-0.4

20

6

0.4-0.5

25

7

0.5-1.0

30

8

1.0-1.5

35

9

1.5-2.0

40

10

2.0-2.5

45

12

2.5-3.0

50

12

3.0-3.5

55

14

3.5-4.0

60

16

4.0-4.5

65

16

4.5-5.0

70

18

5.0-5.5

75

18

5.5-6.0

80

20

6.0-6.5

85

20

6.5-7.0

90

20

7.0-above

100

25

 

 

Example: Dyeing of 100% Cotton Fabric with Reactive Dye

 

Recipe:

     

Everzol Yellow 2GR

:

1.0%

Everzol Red 6BN   

:

0.53%

Everzol Blue-LX   

:

0.142%

Salt  

:

50g/l

Soda  Ash      

:

14g/l

M:L

:

1: 8

Time

:

60 min.

Temperature

:

60ºC

Sample weight

:

5 gm.

Pantone no. 18-1441 TCX



Stock Solution Preparation:

Everzol Yellow 2GR

:

1.0%

Everzol Red 6BN   

:

0.5%

Everzol Blue-LX   

:

0.5%

Salt  

:

25%

Soda  Ash      

:

25%








Calculation:

Sample weight: 5 gm.

Total liquor:  5×8 = 40 ml

  1. The amount of dye (Yellow 2GR) = (Fabric wt. × Shade %) ÷ Stock solution%

            = (5×1%) ÷ 1%

            = 5 ml

  1. The amount of dye (Red 6BN)    = (Fabric wt. × Shade %) ÷ Stock solution%

                    = (5×0.53%) ÷ 0.5%

        = 5.3 ml

  1. The amount of dye (Blue-LX   ) = (Fabric wt. × Shade %) ÷ Stock solution%

        = (5×0.142%) ÷ 0.5%

        = 1.42 ml

  1. Amount of Salt Solution = (Total Liquor × Recipe amount (g/L) ÷ (1000× Stock %)

= (40 × 50)÷ (1000 × 25%)

= 8 ml

  1. Amount of Soda Ash Solution = (Total Liquor × Recipe amount (g/L)÷ (1000× Stock %)

        = (40 × 14)÷ (1000 × 25%)

        = 2.24 ml

Total Chemical = (5 + 5.3 + 1.42 + 8 + 2.24) ml

      =21.96 ml

 

Additional Water Required = Total Liquor (ml) – Total Chemical Amount (ml)

  = (40 – 21.96) ml

  = 18.04 ml

 

Lab Dip Procedure: (100% Cotton)

 


Sample/ Swatch/ Panton no./ TCX no. / TPX no. from the buyer

Recipe making→ from data color

Recipe input in the automatic pipetting m/c

Dyes & Chemical Stock Solution preparation →By Automatic pipetting m/c

Required Solution input in the beaker → By Automatic pipetting m/c


Fabric weighting & fabric input in the Beaker

rising temperature at 60ºC (3ºC/min)
↓ 

Run time 60 Minute

Decrease the temperature to 40ºC (3ºC/min)
↓ 

Beaker unload

Normal Wash( Cold water) → Manually

Wash at 90ºC hot water with Soaping/ Washing agent- 2g/l→ Washing m/c

Run time 10 minute


Decrease the temperature to  40ºC within 10 minute→ Washing m/c

Fabric Unload

Normal Wash(Cold water) → Manually

Normal Hot wash 90ºC( Only water) → Manually

Hydro/ Squeezing → Mini Hydro m/c

Dry→ Drying m/c

Ironing

Shade Check → Light Box


Shade Ok


Send to Buyer Approval



Example: Dyeing of 100% Polyester Fabric with Disperse Dye.

 

Recipe:

   

SuncronYellow  SFW

:

0.005%

Suncron  -Turquoise Blue SFW  

:

0.80%   

Suncron Blue-TFW

:

0.66%

Leveling Agent(Polyester)       

:

0.5%

M:L

:

1 : 8

Time

:

40 min.

Temperature

:

135ºC

Sample weight

:

5 gm.

Color

:

Turkish Sea

 

 

Stock Solution Preparation:

 

SuncronYellow  SFW

:

0.01%

Suncron  -Turquoise Blue SFW  

:

1%   

Suncron Blue-TFW

:

1%

Leveling Agent(Polyester)       

:

1%

Buffer Solution    

:

(Acetic Acid 60% + Sodium Acetate 40%)

 

Calculation:

 

Sample weight: 5 gm.

Total liquor:  5×8 = 40 ml

1.The amount of dye  (Yellow SFW ) = (Fabric  wt. × Shade%) ÷ Stock solution%

= (5×0.005%) ÷ 0.01%

= 2.5 ml

  1. The amount of dye (Blue SFW) = (5×0.80%) ÷ 1%

      = 4 ml

  1. The amount of dye (Blue-TFW) = (5×0.66%) ÷ 1%

        = 3.3 ml

  1. Amount of Buffer Solution = required amount of solution to maintain pH 3.5- 4.5
  2. Amount of Leveling Solution =   (5×0.5%) ÷ 1%

      = 2.5 ml

  1. Total Chemical = (2.5 + 4 + 3.3 + 2.5) ml

      =12.3 ml

  1. Additional Water Required = Total Liquor (ml) – Total Chemical Amount( ml)

        = (40 –12.3) ml

        = 27.7 ml

 

Lab Dip Procedure: (100%Polyester)

 


Sample/ Swatch/ Panton no./ TCX no. / TPX no. from the buyer

Recipe making→ from data color

Dyes & Chemical Stock Solution preparation →By manually

Required Solution input in the beaker → By Manually

↓ 

Adding Buffer solution until to maintain the pH 3.5 – 4.0→ By Manually


Fabric weighting & fabric input in the Beaker
↓ 

Beaker Set in the m/c

Rising Temperature at 135ºC (3ºC/min) 

Run time 40 minute

Decrease the temperature to 40ºC (3ºC/min)
↓ 

Beaker unload

Normal Wash→ Manually

Reduction (In case of CVC/ PC; Carbonizing is done)

Normal Wash

Hydro/ Squeezing → Mini Hydro m/c

Dry→ Drying m/c


Ironing


Shade Check → Light Box


Shade Ok


Send to Buyer Approval





Reduction Process (100% Polyester):

 

Reduction Recipe:

 

Hydrose    –         2g/l

Caustic Soda –    2 g/l

Washing agent – 2g/l

Temperature –     90ºC

Time       –           20 Minute

 

The reduction process is done in Gyro washing m/c which contains a cylinder.



Carbonizing Process (CVC/ PC):

 

Sulfuric Acid 60% + Water 40% solution

↓ 

Time 3-4 Minute → manually

Soda Ash- 0.5g/l →For acid neutral

Acetic Acid – 0.5 g/l→ for soda neutral



In the case of CVC/PC Fabric, At First, the polyester part is dyed, and then Carbonizing is done. After Carbonizing, the Cotton part recipe is made from a Spectrophotometer and then the Cotton part is dyed in the previous method.

 

About the Author

Md Saiful Islam

Bangabandhu Textile Engineering College 
 
Department of Textile Engineering
 

Join Our Fb Group

 

 

Classification of Label in Textile. The labels/ label is/ are a tag that contains or indicates various types of information about garments. Such as buyer name, country of origin, types of fabrics, types of yarn, fabric composition, garments size, special instruction, etc. 
It also provides different instructions about the garments. Labels are sewn to the garment using a sewing machine. Sometimes it is also attached with heat and pressure. Mainly use Satin or Taffeta fabrics.

 


FUNCTIONS OF LABEL

 

1. Identification of products
2. Ideas of the size of the garments
3.Promotes the products
4.Information to customers
5.Grading of garments
6. Description of the garments.

 

Classification of Label in Textile


The label that the buyer orders according to their needs. It all depends on the buyer’s order style. But according to functions labels are three types –


MAIN LABEL


This label is the identity of a buyer. In fact, no garments are ordered without the main label. So, it important
for the brand.
– Main label contains Brand or buyer names
– Brand logo
-Sometimes size is also there if the buyer asks
– Brand beginning year
-Trademark
– Fit information


SIZE LABEL


This label shows the size of the garments. But sometimes size is mentioned on the main label then the size label is not required. It is a woven or printed label.


Example- XS, S, M,L,XL,XXL,38,40,42


CARE LABE


Care Label contains wash care and ironing instruction. The purpose of the care label to customers knows
what to do and what not to do during washing, drying, ironing. It contains various care instructions in multi-languages. Such as :


– Fabric Construction
– Wash care instructions
– Ironing instruction
– Drying instructions
– Sometimes size also there
– Barcode
– Uses logo
– Style no

 

Label in Garments


There are also some Important Labels

 

COMPOSITION LABEL

 

composition Label contains the composition of the garments.


Example : 100% Cotton, 65% Cotton & 35% Polyester etc

 


DATE LABEL


Date Label contains the date of the garments.

 

SIDE LABEL


Side Labels are sewn side seam of the garments.

 

About the Author

Arefin Sohel

BGMEA University of Fashion & Technology (BUFT)
 
 Apparel Manufacture & Technology
 
 

Join Our Fb Group

 

 

এন্টিভাইরাল কাপড় | কখনও চিন্তা করেছিলেন??? আপনার কাপড় দেহরক্ষী হিসেবে সকল জীবাণু থেকে  আপনাকে রক্ষা করবে।

করোনা নাকি জামা কাপড়েও বসে থাকতে পারে। কারণ খালি চোখে তো আর করোনাভাইরাস কে দেখা দেয় না। কাজেই বাহিরে বের হলেই  নানা চিন্তা। এই বুঝি জামায় এসে বসল করোনা ভাইরাস। চিন্তা নেই, এবার চলে এল অ্যান্টি ভাইরাল কাপড় । ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া থেকে যা আপনাকে রক্ষা করবে। মজার বিষয় হলো,এই কাপড় কে আমরা দেহরক্ষী কাপড়ও বলতে পারি।বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া সহ অনেক বড় বড় দেশ ইতিমধ্যেই এই কাপড় তৈরি করে ফেলেছে। 

 

এন্টিভাইরাল কাপড়

 

কিভাবে তৈরি করা হয় এই ধরনের এন্টিভাইরাল কাপড়??? 

 

  •  হেইক ভাইরোব্লক-যুক্ত উন্নত সিলভার ও ভ্যাসিক্যাল প্রযুক্তির বিশেষ মেলবন্ধনে তৈরী। যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই ৯৯.৯৯% ভাইরাস হ্রাস করে।

 

  • এই প্রযুক্তি মানবদেহে কোভিড – ১৯ রোগসৃষ্টিকারী করোনা ভাইরাস ২২৯ ই এবং সার্স – কোভ – ২ এর উপর ও সমান ভাবে কার্যকরী। এটি সুরক্ষিত ও হাইপোল্র্জেনিক।

 

কিভাবেই বা কাজ করবে এই ধরনের জীবাণু রোধক কাপড়?

 

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে-ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া জামাকাপড়ের উপরে দু’দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। হেইক ভাইরোব্লক দিয়ে তৈরী পোশাক সক্রিয়ভাবে ভাইরাস প্রতিরোধ করবে। এই পোশাকের সংস্পর্শে এলে ভাইরাস নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে রোগজীবাণু কাপড়ের মাধ্যমে পুনরায় সংক্রমণের সম্ভবনা হ্রাস পাবে।

 

বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে সাড়াজাগানো এন্টিভাইরাল কাপড়ঃ

 

আমাদের জন্য অনেক আনন্দের খবর যে,আমাদের দেশেও এ ধরনের কাপড় তৈরি হচ্ছে। দেশের বস্ত্র খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জুবায়ের করোনাভাইরাস প্রতিরোধক কাপড় তৈরি করেছে। এই কাপড় তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ। ফলে ওই কাপড়ে করোনাভাইরাসসহ অন্য কোনো ভাইরাস টিকতে পারবে না। যদি কোনোভাবে কোনো ভাইরাস ওই কাপড়ে লাগে, মাত্র কয়েক মিনিটে ওই কাপড় ৯৯.৯ শতাংশ ভাইরাসমুক্ত হবে।

 

এন্টিভাইরাল কাপড়

 

এরই মধ্যে তাদের এই কাপড় আন্তর্জাতিকভাবে মান সনদের স্বীকৃতি পেয়েছে। আইএসও ১৮১৮৪-এর অধীনে এটি পরীক্ষা করা হয়েছে। 

 

যা বাংলাদেশ টেক্সটাইল খাতে একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি  কে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। 

 

তথ্যসূত্রঃ গুগল(google), উইকিপিডিয়া(Wikipedia), 

পত্রিকা(newspaper) 

 

About the Author

মোঃবেনজির ইসলাম 

ড.ওয়াজেদ মিয়া টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজ, রংপুর। 

((ওয়েট প্রসেসিং ইন্জিনিয়ারিং))

 

Join our FB Group

 

 

টেক্সটাইল সেক্টরের 3R| বর্তমান যুগ টেক্সটাইলের যুগ। টেক্সটাইল বাংলাদেশের মেরুদন্ড হিসেবে কাজ করছে। বর্তমানে বাংলাদেশের  টেক্সটাইল সেক্টর পুরো বিশ্বের  মধ্য ৩য় অবস্থানে আছে। বাংলাদেশের টেক্সটাইল সেক্টরকে আরো এগিয়ে নিতে চাইলে কিছু জিনিসের প্রতি ফোকাস করতে হবে। তার মধ্যে 3R (Reduce, Reuse, Recycle) অন্যতম। একটা দেশের গার্মেন্টস ফেক্টরি পরিবেশের ক্ষতি না করে সুষ্ঠ, সুন্দর ভাবে চালানোর জন্য 3R মুখ্য ভুমিকা পালন করে।
 

 

টেক্সটাইল সেক্টরের 3R

 

টেক্সটাইল সেক্টরের Reduce:

 

 
Reduce মানে হ্রাস করা। একটি টেক্সটাইল ফেক্টরিতে একটা নির্দিষ্ট কাপড় তৈরি করতে অনেক ধরনের কাচামাল লাগে। আমরা যদি দিন দিন এই ফেক্টরির বিষাক্ত কাচামাল কমিয়ে আনতে পারি তাহলে আমাদের খরচও কম হবে সাথে পরিবেশ ও দূষণ রোধ হবে। আমরা জানি এই টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। পৃথিবীর  প্রায় ২০ শতাংশ পানি দূষণ এই গার্মেন্টস ফেক্টরির কারনেই হয়। একটি ফেব্রিক রংয়ের জন্য প্রতিবছর ৫ ট্রিলিয়ন লিটার (১.৩ গ্যালন)  পানি ব্যবহার করা হয় যা ২ মিলিয়ন অলিম্পিক আকারের সুইমিংপুল পূরন করার পক্ষে যথেষ্ট। 
 
♦তুলা থেকে রঞ্জন প্রক্রিয়া পর্যন্ত কেবল এক জোড়া জিন্স এবং একটি টি-শার্ট তৈরি করতে আনুমানিক ২০০০ লিটার পানি প্রয়োজন। 
 
টেক্সটাইল প্রসেসিং অপারেশন জুড়ে পানি প্রচুর পরিমানে ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ ফেব্রিকস প্রস্তুতির জন্য যেমন ডিজাইনিং, স্কাউরিং, ব্লিচিং এবং ম্যাসেরাইজিং সহ জলজ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। অতিরিক্ত পানি ব্যবহারের ফলে পানি দূষণ বাড়ছে। আমাদের দিন দিন পানির ব্যবহার কমাতে হবে এবং পানির বদলে ফেব্রিকস এ ড্রাই ওয়াশ করতে হবে।
 
টেক্সটাইল শিল্পে তৈরি বর্জ্যের কিছু অংশে কাপড় এবং ছাটা থাকে কিন্তু এতে বোতাম, সূচিকর্ম থ্রেড এবং অন্যান্য ডেকরেটিং রয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন ১০% – ২৫% ফেব্রিকস নষ্ট হয়। ভুল ছাপ এবং সূচিকর্ম ভুল দ্বারা বর্জ্য তৈরি করে। মুদ্রণ এবং সূচিকর্ম যদি দক্ষতার সাথে করা হয় তবে এটি টেক্সটাইল বর্জ্যকে অনেকাংশে দূরে রাখতে সহায়তা করবে।
 

 

 
 

টেক্সটাইল সেক্টরের Reuse:

 
 
Reuse মানে পুনঃব্যবহার। টেক্সটাইল সেক্টরে যদি আমরা কোন জিনিসকে পুনঃব্যবহার করি তাহলে আমাদের সময় এবং টাকা দুটোই বাচবে। একটা জিনিসকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রসেসিং করতে যত সময় লাগে, তার চেয়ে অনেক কম সময় লাগবে যদি আমরা সেটা পুনরায় ব্যবহার করি। আমরা জানি টেক্সটাইল সেক্টর আমাদের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দূষনকারী। গড় গ্রাহক প্রতি বছর ৩০ কেজি পোষাক ফেলে দেয়। বিশ্বব্যাপি টেক্সটাইল বর্জ্য প্রতিবছর ১৩ মিলিয়ন টন যোগ হয়।
 
সমস্ত টেক্সটাইলের ৮৫% প্রতি বছর ল্যান্ডফিলে যায়। যেখানে 97 % পূনরায় ব্যবহার করা যায়।
 
বর্তমানে প্লাস্টিক আমাদের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে গেছে। কারন বর্তমান সময়ে প্লাস্টিক খুব বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ১৫০০ প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনভাবে চলতে থাকলে একসময় পৃথিবীটা প্লাস্টিকের দখলে এসে পরবে। তাই আমাদের আগে থেকেই প্লাস্টিক কম ব্যবহার করা উচিত এবং এটার পুনঃব্যবহার করা দরকার। প্লাস্টিকের মত গার্মেন্টস ফেক্টরির পানিও পুনরায় ব্যবহার করা লাগবে। কারন দূষিত পানি আর ভয়ংকর প্লাস্টিক দুটোই আমাদের পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। একটা কাপরের গড় আয়ু কাল ৩ বছর। অথচ আমরা একটা কাপড় সর্বোচ্চ ৭-৮ মাস ব্যবহার করি এবং তা পরে ফেলে দেই। কিন্তু একটা পুরোনো কাপড় দিয়েও কিন্তু অন্য কাজ করা যায়। YouTube এ visit করলে অনেক কিছু দেখতে পারবেন। তাই Reuse আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি  সময়, শ্রম, টাকা সবই রক্ষা করে।
 
 
 

টেক্সটাইল সেক্টরের 3R

 

টেক্সটাইল সেক্টরের Recycle:

 

 
 
Recycle মানে ব্যবহার করা জিনিসকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে প্রসেসিং করে আবার ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা। 
মূলত টেক্সটাইল রিসাইকেল হল পুরানো সুতা বা ফেব্রিক বা অন্য কোন মেটেরিয়াল উদ্ধার করে এবং তা পরে রাসায়নিক পদ্ধতিতে অন্য একটি টেক্সটাইল   উপাদানের সাথে মিশ্রিত করে নতুন একটি পন্য তৈরি করা।
 
অনেকগুলো টেক্সটাইল ফাইবার একসাথে মিশ্রিত করে Composite Fibre তৈরি করে। এবং কি Waste Fibre দিয়েও Composite Fibre তৈরি করা  সম্ভব। বর্তমান সময়ে স্মার্ট টেক্সটাইলকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে Composite Fibre যেমন কেভলার ফাইবার, কার্বন ফাইবার, ফাইবার গ্লাস ইত্যাদি।  মহাকাশ ভ্রমনের জন্য স্যুট তৈরিতে,  বিমান তৈরিতে, ভাল উন্নত মানের গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে এই ফাইবার। Waste Materials কে ভালমত Recycle এবং প্রসেসিং করে এই ধরনের ফাইবার তৈরি করা সম্ভব।
 
আমরা জানি পলিথিন এবং প্লাস্টিক আমাদের পৃথিবীর জন্য হুমকিস্বরূপ। বাইরের কয়েকটা দেশ এই পলিথিন এবং প্লাস্টিক নিয়ে কাজ করছে এবং আমাদের বাংলাদেশেও এর নমুনা দেখা যাচ্ছে। পলিথিন এবং প্লাস্টিক কে উচ্চ তাপমাত্রায় গলালে পেট্রোল এবং ডিসেল তৈরি হয়। কারন প্লাস্টিকে সবসময় অপরিশোধিত তেল থেকে তৈরে করা হয়। এটি একটি সমস্যা, কারণ অপরিশোধিত তেল উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দূষণ নির্গত করে এবং এর অর্থ হল পণ্যটি বায়োডেগ্রেডেবল নয়। একটি প্লাস্টিক বায়োডেগ্রেড করতে কমপক্ষে 400 বছর সময় লাগে যার।
 
তাই প্লাস্টিক, পলিথিন, ভিবিন্ন Waste Materials ; Recycle করে পরিবেশকে ভাল রাখা যায়। আমাদের উচিত বাংলাদেশের কিছু গার্মেন্টস ফেক্টরি গুলাতে এসব Waste Materials নিয়ে কাজ করা। তবেই বাচবে জাতি, বাচবে দেশ।
 
Source:
Wikipedia 
Youtube 
Textile Today 
বিজ্ঞানবার্তা
 
   
 
 
About the Author 
 
Najmul Islam 
 
BGMEA University of Fashion and Technology. 
 
Batch: 191
 
Department of Textile Engineering
 
 
 
 
 
 

Join our Facebook Group